বন্ধুরা, চলমান মাসে তোমাদের জন্য কুইজ এর প্রশ্ন “মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ঠিক কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?” এর সঠিক উত্তর দাতার সর্বোচ্চ লেভেল আপ বাটন এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বরের প্রথম জনের জন্য রয়েছে ৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয় জনের জন্য থাকছে ২০০ টাকা মোবাইল বিকাশ/রকেট ক্যাশ এবংকি সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্তের বাহিরে নির্বাচিত সেরা উত্তর দাতার জন্য থাকবে স্পেশাল গিফট। কুইজটি চলবে আগামী ৩১ মে ২০২০ রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত। সেরা উত্তরদাতা নির্বাচিত হবার পরই কুইজটির অংশগ্রহণ এর সমাপ্তি ঘটবে।
বিঃদ্রঃ আপনার উত্তরটিকে লেভেল আপ করতে মন্তব্যটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন মন্তব্যের পাশের শেয়ার অপশন এর মাধ্যমে। বন্ধুরা চাইলেই আপনার উওরটির পাশের লেভেল আপ এরোতে প্রেস করে সহজে লেভেল আপ করতে পারবে। সঠিক উত্তর সংবলিত সর্বোচ্চ লেভেল আপ উত্তরটিই ক্রমানুসারে বিজেতা হিসেবে বিবেচিত হবেন… 🙂
১১ টি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল
১১ টি
১১টি
১১ টি
১১ টি
১১ টি
বাংলাদেশের সকল যুদ্ধাঞ্চলকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন একজন করে সেক্টর কমান্ডার।
সেক্টর ১: বিস্তৃতি ছিল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত। সদরদপ্তর ছিল হরিণা। কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।
সেক্টর ২: বিস্তৃতি ছিল নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া – ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ। সদরদপ্তর ছিল মেলাঘর। কমান্ডার ছিলেন মেজর এ.টি.এম. হায়দার।
সেক্টর ৩: বিস্তৃতি ছিল সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ। সদরদপ্তর ছিল কলাগাছি। কমান্ডার ছিলেন মেজর এ.এন.এম. নূরুজ্জামান।
সেক্টর ৪: বিস্তৃতি ছিল সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত। সদরদপ্তর ছিল নাসিমপুর। কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত।
সেক্টর ৫: বিস্তৃতি ছিল সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সিলেট জেলার সমগ্র উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চল। সদরদপ্তর ছিল বাঁশতলা। কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।
সেক্টর ৬: বিস্তৃতি ছিল সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা। সদরদপ্তর ছিল বুড়ি মাড়ি। কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার।
সেক্টর ৭: বিস্তৃতি ছিল দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, বগুড়া, রাজশাহী এবং পাবনা জেলা। সদরদপ্তর ছিল তরঙ্গপুর। কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক (তিঁনি দুর্ঘটনায় নিহত হন) (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ ) এবং মেজর কাজী নূরুজ্জামান (২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ হতে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)
সেক্টর ৮: বিস্তৃতি ছিল সমগ্র কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা, ফরিদপুরের অধিকাংশ এলাকা এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়কের উত্তরাংশ। সদরদপ্তর ছিল বেনাপোল। কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ১৭ জুলাই, ১৯৭১) এবং মেজর এম. এ. মঞ্জুর (১৪ আগস্ট, ১৯৭১ হতে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)
সেক্টর ৯: বিস্তৃতি ছিল দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনার দক্ষিণাঞ্চল এবং সমগ্র বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা। সদরদপ্তর ছিল হাসনাবাদ। কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১) এবং মেজর জয়নুল আবেদীন (২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ হতে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)
সেক্টর ১০: কোনো আঞ্চলিক সীমানা নেই। ৫১৫ জন নৌবাহিনীর কমান্ডো অধীনস্হ। শত্রুপক্ষের নৌযান ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন সেক্টরে পাঠানো হত।
সেক্টর ১১: বিস্তৃতি ছিল কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ি-আরিচা থকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল। সদরদপ্তর ছিল মহেন্দ্রগঞ্জ। কমান্ডার ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম হামিদুল্লাহ খান।
১১ টি