স্বাগতম, বাংলায় বৃহত্তম প্রশ্নোত্তর নেটওয়ার্কে যোগদান করুন! আমাদের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রায় ৫০ হাজার+ ব্যবহারকারীগণ। আপনার যা জানা রয়েছে, তা অন্যকে জানিয়ে সহায়তা করুন। আপনি যা জানেন না, তা অনুসন্ধান করুন, অথবা অন্য থেকে জানার চেষ্টা করুন। সার্চ এভরিথিং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ব্যবহারকারীগণদের একত্রিত করেন, যাতে একে অপরের থেকে ভালো কিছু জানতে পারেন এবং জানাতে পারেন।
সার্চ এভরিথিং, বাংলা প্রশ্ন উত্তর এর অনন্য মাধ্যম। আপনার যা জানা রয়েছে, তা অন্যকে জানিয়ে সহায়তা করুন। আপনি যা জানেন না, তা অন্য থেকে জানার চেষ্টা করুন। সার্চ এভরিথিং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির লোকদের একত্রিত করেন, যাতে একে অপরের থেকে ভালো কিছু জানতে পারেন এবং জানাতে পারেন।
আপনার পাসওয়ার্ড হারিয়েছেন? আপনার ইমেইল ঠিকানা লিখুন। আপনাকে একটি লিঙ্ক পাঠানো হবে এবং ইমেইল এ প্রাপ্ত লিংক এর মাধ্যমে একটি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে আপনাকে।
অনুগ্রহ করে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করুন কেন আপনি মনে করেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিত।
আপনি কেন এটির রিপোর্ট করা উচিত বলে মনে করেন, সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করুন।
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
বিষয়বস্তু অনুলিপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ!
ঢাকায় এলপিজি গ্যাস ডেলিভারি দিচ্ছে, এমন কোনো প্রতিষ্ঠান কি রয়েছে?
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
বাংলাদেশের সকল যুদ্ধাঞ্চলকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন একজন করে সেক্টর কমান্ডার। সেক্টর ১: বিস্তৃতি ছিল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত। সদরদপ্তর ছিল হরিণা। কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। সেক্টর ২: বিস্তৃতি ছিল নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলাআরও পড়ুন
বাংলাদেশের সকল যুদ্ধাঞ্চলকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন একজন করে সেক্টর কমান্ডার।
সেক্টর ১: বিস্তৃতি ছিল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত। সদরদপ্তর ছিল হরিণা। কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।
সেক্টর ২: বিস্তৃতি ছিল নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া – ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ। সদরদপ্তর ছিল মেলাঘর। কমান্ডার ছিলেন মেজর এ.টি.এম. হায়দার।
সেক্টর ৩: বিস্তৃতি ছিল সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ। সদরদপ্তর ছিল কলাগাছি। কমান্ডার ছিলেন মেজর এ.এন.এম. নূরুজ্জামান।
সেক্টর ৪: বিস্তৃতি ছিল সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত। সদরদপ্তর ছিল নাসিমপুর। কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত।
সেক্টর ৫: বিস্তৃতি ছিল সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সিলেট জেলার সমগ্র উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চল। সদরদপ্তর ছিল বাঁশতলা। কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।
সেক্টর ৬: বিস্তৃতি ছিল সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা। সদরদপ্তর ছিল বুড়ি মাড়ি। কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার।
সেক্টর ৭: বিস্তৃতি ছিল দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, বগুড়া, রাজশাহী এবং পাবনা জেলা। সদরদপ্তর ছিল তরঙ্গপুর। কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক (তিঁনি দুর্ঘটনায় নিহত হন) (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ ) এবং মেজর কাজী নূরুজ্জামান (২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ হতে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)
সেক্টর ৮: বিস্তৃতি ছিল সমগ্র কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা, ফরিদপুরের অধিকাংশ এলাকা এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়কের উত্তরাংশ। সদরদপ্তর ছিল বেনাপোল। কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ১৭ জুলাই, ১৯৭১) এবং মেজর এম. এ. মঞ্জুর (১৪ আগস্ট, ১৯৭১ হতে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)
সেক্টর ৯: বিস্তৃতি ছিল দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনার দক্ষিণাঞ্চল এবং সমগ্র বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা। সদরদপ্তর ছিল হাসনাবাদ। কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১) এবং মেজর জয়নুল আবেদীন (২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ হতে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)
সেক্টর ১০: কোনো আঞ্চলিক সীমানা নেই। ৫১৫ জন নৌবাহিনীর কমান্ডো অধীনস্হ। শত্রুপক্ষের নৌযান ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন সেক্টরে পাঠানো হত।
সেক্টর ১১: বিস্তৃতি ছিল কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ি-আরিচা থকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল। সদরদপ্তর ছিল মহেন্দ্রগঞ্জ। কমান্ডার ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম হামিদুল্লাহ খান।
কম দেখুন